নিজস্ব প্রতিবেদক
আদিবাসীদের আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দাবি ও “সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্র জনতা”র এনসিটিবি ভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে হামলাকারী উগ্র সাম্প্রদায়িক “স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি”র সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচার এবং “সংক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা”র মিছিলে পুলিশী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সকাল ১১:০০ঘটিকায় রাজশাহী, সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি অনিল গজাড় এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শীত কুমার উরাং এর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম,আইন বিষয়ক সম্পাদক নবদ্বীপ লাকড়া, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নিরলা মার্ডি, আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি প্রশান্ত মিন্জ সাংগঠনিক সম্পাদক মনিকা মারান্ডি, কেন্দ্রীয় সদস্য স্বপন তিগ্যা , আদিবাসী ছাত্র পরিষদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভাপতি সঞ্জয় কুমার উরাও, সাধারণ সম্পাদক বীথি এক্কা, সাংগঠনিক সম্পাদক ইন্দ্রজিত কুমার বেদ, সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শামিম ত্রিপুরাসহ প্রমূখ।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন নবম ও দশম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পেছনের প্রচ্ছদ থেকে আদিবাসী শব্দ সম্বলিত গ্রাফিতি বাদ দেওয়া প্রতিবাদে এনসিটিবি ভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে যাওয়ার সময় স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি নামের সংগঠন ক্রিকেট স্টাম্পের মাথায় বাংলাদেশের পতাকা বেঁধে , পতাকা কে অবমাননা করে লাঠি সোটা নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এতে হামলায় বেশ কিছু আদিবাসী ছাত্র জনতা আহত হয়। এর দায় সরকার কোনো ভাবেই এড়িয়ে চলতে পারে না বলে বক্ততারা মন্তুব্য করেছেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন যারা “স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি”র ব্যানারে আদিবাসী ছাত্র জনতার উপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান। এছাড়াও ঢাকায় সংক্ষুদ্ধ ছাত্র জনতার উপর পুলিশী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
সমাবেশে বক্তারা বলেন আদিবাসীদের হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে, সমতল আদিবাসীদের জন্য স্বাধীন ভূমি কমিশন গঠন ও পৃথক মন্ত্রণালায় গঠন করতে হবে এবং নবম-দশম শ্রেণীর বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পেছনের প্রচ্ছদে আদিবাসী শব্দ সম্বলিত গ্রাফিতি পুন:স্থাপন করার জোর দাবি জানান।