বরিশাল ব্যুরো।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ অমান্য করে আলীগ পন্থীদের প্রবেশ করানো হচ্ছে বরিশাল মহানগর বিএনপিতে। গত ৫ আগষ্টের পর বিএনপিতে আলীগকে প্রবেশ করাচ্ছে মহানগর বিএনপি। এমন সত্যতা পাওয়া গেছে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বিরুদ্ধে।
একাধিক বিএনপি সূত্র জানান ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পতনের পরপরই সারাদেশে আলীগে দখলে থাকা বাস টার্মিনাল গুলো নেতৃত্ব শূন্য হয়। সেই দিক থেকে বরিশাল রুপাতলী বাস টার্মিনাল ও আলীগ দখলে থাকা শূন্য হয়। এতে করে ঐ দিনেই বিএনপি নেতা সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার তার লোকজন নিয়ে বাস টার্মিনাল নেতৃত্ব হাতে নেয়। পরে বরিশাল পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির ও শ্রমিক ইউনিয়ন কমিটি গঠন করে জিয়া উদ্দিন সিকদার । বাস মালিক সমিতি ৭ সদস্যের একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করে। সেই সাথে বাস শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে বাস মালিক সমিতির গঠিত কমিটি ৭ সদস্যের ৫ জন ছিলো শেখ হাসিনা সরকারের সময় বাস মালিক। যার মধ্যে ছিলো আলীগ সময়ের বাস মালিক নাসির উদ্দীন মৃধা, আলামিন, সহ ৫ জন। শ্রমিক ইউনিয়ন কমিটি তে ছিলো রাজ্জাক মৃধা।
এদিকে বরিশালে রাজনৈতিক সফরে ছিলো কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল টিম প্রধান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মিন্টু। রোববার ঐ আবদুল আউয়াল মিন্টু পটুয়াখালী সফরকালে রুপাতলীতে পৌঁছে। ঐ সময় রুপাতলী বাস মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের গুটি কয়েক মালিক আবদুল আউয়াল মিন্টুর গাড়ী থামিয়ে হাত বিনিময় করেন। ঐ সময় আলীগ নেতা বাস মালিক আলামিন, নাসির মৃধা সহ কয়েকজন আলীগ পন্থী বাস মালিক মিন্টুর সাথে হাত বিনিময় করেন।
একাধিক বাস মালিকরা জানায় বিগত ১৬ বছর মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারের চাচা শ্বশুর মহানগর আলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন রুপাতলী বাস টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণ করেছে। ঐ সময় জিয়া উদ্দিন সিকদারের ভাগ্নি জামাই আলামিন, নাসির মৃধা, রাজ্জাক মৃধা শিপনের হয়ে বাস টার্মিনাল নিয়ন্ত্রন করতো। এমনকি শিপনের অত্যাচারে বাস বিক্রি করে দিয়েছে অনেক বাস মালিক।
ক্ষোভের সহিত একাধিক আলীগ সময়ে শিপনের হাতে নির্যাতিত বাস মালিক জানান গত ১৬ বছরে আলীগের রাজনীতির সাথে ও শিপনের সাথে আলামিন সহ একাধিক বাস মালিক সুবিধা নিয়ে বাস টার্মিনালে প্রভাব বিস্তার করেছে। ঐ সব মালিকরা এখন জিয়া উদ্দিন সিকদার লোক হয়ে বিএনপি বনে গিয়েছে।