1. news@www.provatibangladesh.com : বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  2. info@www.provatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পাবনায় এনজিও প্রতিনিধির সাথে শিমুল বিশ্বাস’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  নতুন মিডিয়া প্রকাশের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়লেখার বর্ণি ইউনিয়ন আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার ঈদ পূর্ণমিলনী সম্পন্ন সন্ধান দাতাকে ১০০০০০/-এক লক্ষ টাকার অধিক পুরস্কার দেওয়া হবে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে যোগারচরের গোসলে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু কমলগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রিপুল ও যুবলীগ নেতা ইউপি সদস্য শিপন আটক যে তথ্যর ভিত্তিতে গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয় ময়মনসিংহ চোরখাই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩ জন ও আহত ৫ জন গোরস্থান উন্নয়ন কল্পে যুব সমাজের সাথে আলোচনা  গত ২৫ বছরে একবারও ‘জয় বাংলা’ বলিনি আজ থেকে জয়া বাংলা বলবো

শাবান মাসের গুরুত্ব ও ফযিলত শাবান-রামাদান ১৪৪৬ হিজরি।

নিজস্ব প্রতিবেদক 
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক 

মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল,হযরত উসমান রাঃ ইসলামিয়া মাদ্রাসা গাজীপুর।

মুমিনের কাঙ্খিত রামাদান মাসের পূর্ববর্তী মাসের নাম শাবান।দ্বীনী বিবেচনায় এই মাসটি অত্যন্ত তাৎপর্য ধারণ করে।রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুরুত্বের সাথে এ মাসে আমল করতেন।নবীজী যে মাসে বেশি বেশি রোযা রাখতেন শাবান মাস এলে নবীজী অধিকহারে রোযা রাখতেন।আম্মাজান হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহা বলেন,

مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ اسْتَكْمَلَ صِيَامَ شَهْرٍ قَطّ إِلاّ رَمَضَانَ وَمَا رَأَيْتُهُ فِي شَهْرٍ أَكْثَرَ مِنْهُ صِيَامًا فِي شَعْبَانَ.

‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রামাদান ব্যতীত পূর্ণ মাস রোযা রাখতে দেখি নি।আর শাবান মাস অপেক্ষা অন্য মাসে অধিক রোযা রাখতে তাঁকে দেখি নি। সূত্রঃ-সহীহ মুসলিম,

হাদীস নম্বর-২৬৯১

হযরত আয়েশা রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহা আরো বলেন,

كَانَ أَحَبّ الشّهُورِ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ أَنْ يَصُومَهُ شَعْبَانَ…..

‘অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রিয় আমল ছিল শাবান মাসে রোযা রাখা…’।সূত্রঃ-

মুসনাদে আহমাদ,হাদিস নম্বর-২৫৫৪৮,সুনানে আবু দাউদ,হাদিস নম্বর-২৪৩১

ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী

রাহমাতুল্লাহি তাআলা আলাইহি বলেন,ফরয নামাযের আগে-পরে যেভাবে সুন্নাত-নফলের বিধান রয়েছে,রামাদানের আগে-পরে শাবান ও শাওয়াল মাসে রোযার বিধান রয়েছে মূল বিধানের পরিপূরক হিসেবে।তাই মূল ইবাদতের পাশাপাশি পূর্বাপরের নফল ইবাদতগুলোর প্রতিও যত্নবান হওয়া চাই। দ্রষ্টব্যঃ-লাতায়েফুল মাআরেফ,পৃষ্ঠা নম্বর- ১৮৮

এ হিসেবে পহেলা শাবান থেকে সাতাশ শাবান পর্যন্ত রোযা রাখার বেশ গুরুত্ব রয়েছে।হাদিস শরীফে শাবানের শেষ দুয়েকদিন রোযা রাখতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে রামাদানের প্রস্তুতি নেওয়ার লক্ষে।(দ্রষ্টব্যঃ- সহীহ বুখারী শরীফ, হাদীস নম্বর-১৯১৪,সহীহ মুসলিম,হাদীস নম্বর- ১০৮২,

লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান-ফযিলতপূর্ণ এক রজনি অর্ধ শাবানের রজনি তথা চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতের রয়েছে বিশেষ তাৎপর্য।হাদিসের ভাষায় ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’।প্রচলিত ভাষায় আমরা যাকে ‘শবে বরাত’ বলে ব্যক্ত করি।হাদিসে এ রাতের বিশেষ ফযিলতের বিবরণ এসেছে।হযরত মুআয ইবনে জাবাল রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহু থেকে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,

يَطْلُعُ اللهُ إِلَى خَلْقِهِ فِي لَيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ فَيَغْفِرُ لِجَمِيعِ خَلْقِهِ إِلّا لِمُشْرِكٍ أَوْ مُشَاحِنٍ.

‘অর্ধ শাবানের রাতে আল্লাহ সৃষ্টির প্রতি (রহমতের বিশেষ)দৃষ্টি প্রদান করেন।অতঃপর শিরককারী ও বিদ্বেষপোষণকারী ছাড়া সমগ্র সৃষ্টিকে ক্ষমা করে দেন’।সূত্রঃ-সহীহ ইবনে হিব্বান,হাদীস নম্বর- ৫৬৬৫,

এছাড়া আরো বহু হাদীসে লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান বা শবে বরাতের কথা এসেছে।সুতরাং এটি একটি ফযিলতপূর্ণ রজনী।ইবনে তাইমিয়া বলেছেন,‘পনেরো শাবানের রাতের ফযিলত সর্ম্পকে একাধিক ‘মারফু’ হাদীস ও ‘আসারে সাহাবা’ বর্ণিত রয়েছে এগুলো দ্বারা ঐ রাতের ফযিলত ও মর্যাদা প্রমাণিত হয়।সালাফে সালেহীনের কেউ কেউ এ রাতে নফল নামাযের ব্যাপারে যত্নবান হতেন। আর শাবানের রোযার ব্যাপারে তো সহীহ হাদীস সমুহই রয়েছে।‘কোনো কোনো আলেম যদিও এই রাতের ফযিলত অস্বীকার করেন,কিন্তু হাম্বলী ও গায়রে হাম্বলী অধিকাংশ আলেমই এই রাতের ফযিলতের কথা স্বীকার করে থাকেন।ইমাম আহমাদ রাহমাতুল্লাহি তাআলা আলাইহির মতও তাই।কেননা এর ফযিলত সম্পর্কে একাধিক হাদীস বর্ণিত হয়েছে এবং এগুলোর সমর্থনে সালাফ (সাহাবী ও তাবেয়ী)এর ‘আসার’ও বিদ্যমান আছে,যেগুলো ‘সুনান’ ও ‘মুসনাদ’ শিরোনামে সংকলিত হাদীসের কিতাবে(বরং কতক ‘সহীহ’ শিরোনামের কিতাবেও যেমন সহীহ ইবনে খুযাইমা(কিতাবুত তাওহীদ),সহীহ ইবনে হিব্বান প্রভৃতিতে)রয়েছে।যদিও এ ব্যাপারে বহু বিষয় জালও করা হয়েছে।(ইকতিযাউস সিরাতিল মুস্তাকীম ২য় খনৃড ১৩৬ পৃষ্ঠা ও ১৩৭ পৃষ্ঠা।এ রাতের আমল সম্পর্কে ‘শুআবুল ঈমান’ বায়হাকীর নিম্নোক্ত হাদিসটি লক্ষ করুন।

হযরত আলা ইবনুল হারিছ রাহমাতুল্লাহি তাআলা আলাইহি থেকে বর্ণিত,হযরত আয়েশা রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহা বলেন,

قَامَ رَسُولُ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ مِنَ اللّيْلِ يُصَلِّي فَأَطَالَ السّجُودَ حَتّى ظَنَنْتُ أَنّهُ قَدْ قُبِضَ، فَلَمّا رَأَيْتُ ذَلِكَ قُمْتُ حَتّى حَرّكْتُ إِبْهَامَهُ فَتَحَرّكَ، فَرَجَعْتُ، فَلَمّا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ السّجُودِ، وَفَرَغَ مِنْ صَلَاتِهِ، قَالَ: يَا عَائِشَةُ أَوْ يَا حُمَيْرَاءُ ظَنَنْتِ أَنّ النّبِيّ خَاسَ بِكِ؟ ، قُلْتُ: لَا وَاللهِ يَا رَسُولَ اللهِ وَلَكِنِّي ظَنَنْتُ أَنّكَ قُبِضْتَ لِطُولِ سُجُودِكَ، فَقَالَ: أَتَدْرِينَ أَيّ لَيْلَةٍ هَذِهِ؟ ، قُلْتُ: اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، قَالَ: هَذِهِ لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ، إِنّ اللهَ عَزّ وَجَلّ يَطْلُعُ عَلَى عِبَادِهِ فِي لَيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ فَيَغْفِرُ لِلْمُسْتَغْفِرِينَ، وَيَرْحَمُ الْمُسْتَرْحِمِينَ، وَيُؤَخِّرُ أَهْلَ الْحِقْدِ كَمَا هُمْ.

‘একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে নামাযে দাঁড়ান এবং এত দীর্ঘ সিজদা করেন যে,আমার ধারণা হল,তিনি হয়তো মৃত্যুবরণ করেছেন।আমি তখন উঠে তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিলাম।তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়ল।যখন তিনি সিজদা থেকে উঠলেন এবং নামায শেষ করলেন তখন আমাকে লক্ষ করে বললেন,হে আয়েশা,অথবা বলেছেন, ও হুমায়রা!তোমার কি এই আশংকা হয়েছে যে, আল্লাহর রাসূল তোমার হক নষ্ট করবেন?আমি উত্তরে বললাম আল্লাহর কসম,না,ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনার দীর্ঘ সিজদা থেকে আমার আশংকা হয়েছিল,আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কি না।নবীজী জিজ্ঞেস করলেন,তুমি কি জান এটা কোন রাত?আমি বললাম,আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন ইরশাদ করলেন এটা হল অর্ধ-শাবানের রাত।(শাবানের চৌদ্দ তারিখের দিবাগত রাত।) আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে তাঁর বান্দার প্রতি মনোযোগ দেন এবং ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন এবং অনুগ্রহপ্রার্থীদের প্রতি অনুগ্রহ করেন আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের ছেড়ে দেন তাদের অবস্থাতেই।’(শুআবুল ঈমান,বায়হাকী,হাদীস নম্বর-৩৫৫৪)ইমাম বাইহাকী রাহমাতুল্লাহি তাআলা আলাইহি এই হাদিসটি বর্ণনা করার পর এর সনদের ব্যাপারে বলেন,

هذا مرسل جيد.

হাদীস শরীফের বর্ণনা থেকে এ রাতের আমলের ব্যাপারে যতটুকু পাওয়া যায় তা হচ্ছে এ রাতে বিশেষভাবে তাওবা-

ইস্তিগফার,দুআ-কান্না কাটি এবং নফল ইবাদাতে মাশগুল থাকা।একা একা যার পক্ষে যতটুকু সম্ভব সাধারণ নফল ইবাদতে মনোযোগী হওয়া।যিকির-তাসবীহ পড়া,দুআ-দরুদ শরীফ পড়া,লম্বা লম্বা রুকূ-সিজদায় নফল পড়া,কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করা ইত্যাদি। এ পরিমাণ ইবাদত করা, যাতে এর দ্বারা ফরয আমলে ব্যাঘাত না ঘটে। এমন যেন না হয়, সারারাত নফলে মাশগুল থেকে ফজরের জামাত ছুটে গেল বা কাযা হয়ে গেল।তেমনি গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।বিশেষ করে ওইসব গুনাহ এবং নাফরমানি থেকে গুরুত্বের সাথে বেঁচে থাকা।শাবানের পনের তারিখের রোযাবহযরত আলী ইবনে আবি তালেব রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,

إِذَا كَانَتْ لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ، فَقُومُوا لَيْلَهَا وَصُومُوا نَهَارَهَا، فَإِنّ اللهَ يَنْزِلُ فِيهَا لِغُرُوبِ الشّمْسِ إِلَى سَمَاءِ الدّنْيَا، فَيَقُولُ: أَلَا مِنْ مُسْتَغْفِرٍ لِي فَأَغْفِرَ لَهُ أَلَا مُسْتَرْزِقٌ فَأَرْزُقَهُ أَلَا مُبْتَلًى فَأُعَافِيَهُ أَلَا كَذَا أَلَا كَذَا، حَتّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ.

‘পনের শাবানের রাত (চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত)যখন আসে তখন তোমরা এ রাতটি ইবাদত-বন্দেগীতে কাটাও এবং দিনের বেলা রোযা রাখ।কেননা,এ রাতে সূর্যাস্তের পর আল্লাহ তাআলা প্রথম আসমানে আসেন এবং বলেন, আছে কি কোনো ক্ষমাপ্রার্থী?আমি তাকে ক্ষমা করব।আছে কি কোনো রিযিক প্রার্থী? আমি তাকে রিযিক দেব। এভাবে সুবহে সাদিক পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা মানুষের প্রয়োজনের কথা বলে তাদের ডাকতে থাকেন।(সুনানে ইবনে মাজাহ,হাদীস নম্বর- ১৩৮৮)

ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রাহমাতুল্লাহি তাআলা আলইহি বলেন,শাবানের পনের তারিখে রোযা রাখা নিষিদ্ধ নয়।কেন না এই পনের তারিখ তো আইয়ামে বীযেরই (প্রত্যেক আরবী মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ) একটি দিন,হাদিস শরীফে যে দিনগুলোতে রোযা রাখার কথা এসেছে। এছাড়া এ দিনে রোযা রাখার ব্যাপারে সুনানে ইবনে মাজাহতে হযরত আলী ইবনে আবী তালেব রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহু থেকে বর্ণিত স্বতন্ত্র হাদিসও বর্ণিত হয়েছে। যদিও তার সনদ দুর্বল। (লাতায়েফুল মাআরেফ, পৃষ্ঠা-১৯৭)

তো একদিকে নবীজী শাবান মাসে রোযা রাখার বিশেষ গুরুত্ব করতেন,

পাশাপাশি শাবানের পনের তারিখ আইয়ামে বীযেরও একটি দিন।অতএব কেউ যদি এই বিবেচনায় শাবানের পনের তারিখে রোযা রাখে তাহলে ইনশাআল্লাহ মাহরূম হবে না।তবে সম্ভব হলে আইয়ামে বীযের তিন দিনই (চাঁদের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ) নফল রোযা রাখতে পারলে সবচে উত্তম হয়।

শবে বরাত:ভারসাম্য রক্ষা করে শবে বরাতকে ঘিরে আমাদের সমাজে রয়েছে দ্বিমুখী প্রান্তিকতা। কেউ কেউ শবে বরাতের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করতে চান,যা একদমই অনুচিত।তাদের জন্য আশা করি উপরোক্ত হাদীসের বিবরণ যথার্থ হবে।

আল্লাহ আমাদের সঠিক উপলব্ধির তাওফিক দান করুন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট