বরিশাল ব্যুরো প্রধান
বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তর কতৃক জব্দকৃত নিষিদ্ধ পলিথিন নিলামের পর নিয়মনীতি না মেনেই মালিকের নিকট হস্তান্তরের অভিযোগ উঠেছে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
বিভিন্ন সময়ে জব্দকৃত নিষিদ্ধ পলিথিনগুলো কেটে ব্যবহারের অনুপযোগী করে টেন্ডার প্রাপ্ত ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করার কথা থাকলেও সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করেই কার্যক্রম সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছে বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে বিবেচিত হওয়া প্রতিষ্ঠান মেসার্স শাহজালাল প্যাকেজিং এন্ড প্রিন্টিং স্বত্বাধিকারী মো. বসির উল্লাহ ফরাজি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তার উপস্থিততে পলিথিন কাটার নামে আস্ত পলিথিনগুলো নতুন করে বস্তায় ভরে সেগুলো নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
এমন ঘটনার খবরে সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকরা ভিডিও ধারনের চেষ্টা করলে ক্যামেরা দেখে তাদের উপর ক্ষিপ্ত হন ঠিকাদার মো.বসির উল্লাহ। এরপর পরিস্থিতি অনূকূলে না থাকায় এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন তিনি।
জানা গেছে, ঠিকাদার বসির উল্লাহ দীর্ঘদিন যাবৎ চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবসা করে আসছেন।
নিলামে পাওয়া নিষিদ্ধ পলিথিনগুলো পূনরায় তিনি সেগুলো বাজারে বিক্রি করবেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিলামের জন্য গঠিত কমিটির দায়িত্বে থাকা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, মাল বাহিরে বের না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আমি কোন প্রশ্নের জবাব দিতে পারবোনা। গেটের বাহিরে যাওয়ার পর যদি কাটা ছাড়া পলিথিন পাওয়া যায় সেটার দ্বায়ভার আমাদের।
এ বিষয়ে বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম (চলতি দায়িত্ব) কাছে জানতে চাইলে ঠিকাদারের পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, পলিথিন কাটার সময় দুই একটা বান্ডেল ভেতরে আস্ত থাকতে পারে, তবে ঘটনাটি শোনার পর সবগুলো বস্তা পূনরায় খুলে কাটার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।