গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে উঠতি বাঁধা কপি ক্ষেত পানিতে ডুবিয়ে নষ্ট করাসহ সেচকাজের ড্রেন ও ফিতা পাইপ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
গত শুক্র ও শনিবারের ঘটনায় সোমবার (৩ মার্চ, ২০২৫) উপজেলার কামদিয়া ইউপির তেঘড়া গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মোন্তেছার রহমান প্রতিবেশি ভাগী-শরিকদের সাদেকুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান, রফিকুল ইসলাম, এরশাদ, মামুনুর রশীদ রাজু ও শুভন মিয়াদের অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
জানা যায়, পূর্ব থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে সেচ পাম্পসহ পারিবারিক ও জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলমান। সেই সূত্রে গত শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভুক্তভোগীর ১২ শতাংশ জমিতে লাগানো উঠতি বাঁধা কপির জমি অভিযুক্তরা তাদের সেচ পাম্পের পানিতে তলিয়ে দেয়। পরদিন শনিবার (১ মার্চ) তারা ভুক্তভোগীর সেচ কাজের ড্রেন কেটে ফেললে জমিতে সেচ দিতে জরুরিভাবে ফিতা পাইপ ব্যবহার করে। বাঁধা কপির ক্ষেত ডুবিয়ে ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা এবং সেচ ড্রেন কেটে ফেলে স্কীমের সেচকাজে সমস্যার সৃষ্টি করার বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে কথা বললে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে একপর্যায়ে জরুরিভাবে সেচ অব্যাহত রাখার ফিতা পাইপ কেটে টুকরা টুকরা করে ফেলে। সেই সাথে মারপিট ও খুনজখমের হুমকি প্রদান করে।
ভুক্তভোগী জানান, আমি আমার সেচ পাম্প (হিসাব নং ১০০/৩৯১৫) দ্বারা প্রায় ১২ বিঘা জমি চাষাবাদ করি। পানি প্রবাহের নালা কেটে ফেলা এবং ফিতা পাইপ দ্বারাও পানি দিতে তাদের বাঁধায় চলতি মওসুমের বোরো চাষে আমি শঙ্কিত। এছাড়াও তাদের প্রতিহিংসাবসত: আমার ১২ শতক জমির উঠতি বাঁধা কপি পানিতে ডুবিয়ে ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করেছে। আমি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এবিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে কথা বললে তারা জানান, আমরা ইচ্ছাপূর্বক কপি ক্ষেতে পানি দেইনি; জমির আল ভেঙ্গে পানি গেছে।
লিখিত অভিযোগ জমার বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।