নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজীপুরে একাধিক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার পরেও কোন ব্যবস্হা নিচ্ছে না গাজীপুর মেট্রো পলিটন পুলিশের সদর মেট্রো থানা। ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম জানান বিগত এক মাস যাবৎ ধরে গাজীপুর মেট্রো থানায় তার একটি মিশুক অটো রিক্সা ছিনতাই করে সদর মেট্রো থানা এরিয়ার চাপুলিয়া এলাকার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা মইনুল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। ঐদিন রাত আনুমানিক ১০/১০:৩০ মিঃ সময়ে মইনুল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী রফিকুল ইসলাম কে গতিরোধ করে তার উপর অতর্কিত হামলা করে ৮ সিটের নতুন একটি মিশুক ইজি বাইক( অটো রিক্সা) চিনতাইর গঠনা গঠে।
এ বিষয়ে পরের দিন সদর মেট্রো থানার বহিষ্কার কৃত সাবেক ওসি আরিফুল ইসলাম কে গঠনার বিস্তারিত জানালে তিনি তাদের নামে একটি অভিযোগ দিতে বলেন। ঐদিনই তৎখনাৎ একটি অভিযোগ সদর মেট্রো থানায় রুজু করা হয়। তদন্তকারী অফিসার এস আই কামরুল কামরুল ইসলাম যায় যাচ্ছি করে ৪/৫ দিন অতিবাহিত করে। এভাবে সাবেক ওসি এবং তদন্তকারী অফিসার দিনের পর দিন আমাকে ঘুরিয়ে পরে দেখা করেন আমরা এখন অনেক ব্যস্ত আছি, সময় হলে আমরা ফোন দিব বলে আমাকে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে অতিবাহিত করতে থাকেন বলে জানান ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম। এদিন বেলা ৫ ঘটিকার সময় সদর মেট্রো থানার সাবেক ওসির সাথে দেখা করতে গেলে তার রুমে তদন্তকারী অফিসার এস আই কামরুল ও উপস্হিত ছিলেন। সাবেক ওসি আরিফুল ইসলাম এবং তদন্তকারী অফিসার কামরুল ইসলাম আমার উপর রাগান্নিত হয়ে যান। আমি কেন ডিসি সাহেবের কাছে গেলাম। তারা আমার অভিযোগের ব্যবস্হা নেওয়ার কথা না বলে উল্টো আমার বিপক্ষ নারী আসামি দ্বারা আমার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হতে পারে বলে আমাকে অবগত করেন। যে কথা সে কাজ। পরের দিন আমার বিপক্ষ নারী আসামি দ্বারা আমার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ করান সাবেক ওসি আরিফুল ইসলাম ও তদন্তকারী অফিসার এস আই কামরুল ইসলাম। তিনি আর বলেন এভাবে বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো আসামি করে দিল গাজীপুর সদর মেট্রো থানার পুলিশ।
তিনি আর বলেন তার পরের দিন তদন্তকারী অফিসার এস আই কামরুল ইসলাম আমাকে ফোন দিয়ে বলেন আপনার অটো উদ্ধার করা হবে আজকে আপনি পাহারা দিন অটো রিক্সাটি কোথায় আছে। আমি সারাদিন পাহারা দিয়ে প্রায় ৪/৫ স্হানে আমার গাড়িটি দেখে কামরুল সাহেবকে জানাই। তিনি আসছি আসতেছি করে রাত ১০ টার দিকে বলে এখন তো অনেক রাত হয়ে গেছে এখন আর কিছু করা সম্ভব না। আর জানেন ই তো পুলিশের অবস্হা এখন খুব একটা ভালো না। ওরা ছিনতাইকারী সন্ত্রাসী। ওদের হাত অনেক লম্বা, ওরা অনেক শক্তিশালী। আমি গিয়ে এখন ওদের কিছুই করতে পারবোনা বলে এভাবে এড়িয়ে যান তদন্তকারী অফিসার কামরুল ইসলাম বলে জানান ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম।
কোন প্রতিকার না পেয়ে অসহায় ও কষ্টের মানবিক জীবন পার করছেন। রুজি রোজকারের একমাত্র বাহন অটো রিক্সাটি নাই, মাথায় জোমছে কিস্তির দেনা। সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছে রফিকুল। অনবিরত বাড়ছে সংসারে কোলাহল এসব কথা বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে রফিকুল। তাহলে কি ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোষরদের আবার পুনরায় গাজীপুরে গাটি তৈরিতে সহযোগীতা করছে সদর মেট্রো থানার পুলিশ। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, জলন্ত প্রামান থাকা শর্তেও ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোষর নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা কিশোর গ্যাং লিডার সন্ত্রাসী মইনুল ও তার দোষর দের কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না বলে খোব প্রকাশ করেন স্হানীয় এলাকাবাসী।
এদের দ্রুত গ্রেফতার করে অসহায় রফিকুলের অটো রিক্সাটি উদ্ধার তাকে ফেরৎ দেওয়ার দাবি জানান জুলাই গন অভ্যুত্থান ও ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকার নির্মূলে অবদান রাখা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র গাজীপুর জেলা ও জেলা, গাজীপুর মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ এলাকাবাসীর দাবি। তারা গাজীপুর মহানগর মেট্রো পলিটন পুলিশ কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন অসহায় রফিকুলের অটো রিক্সাটি উদ্বার করে অটো ছিনতাইকারীদের আইনের আওতায় আনা দরকার। সেই সাথে সদর মেট্রো থানার দ্বাইত্বে ঘাপলতির তীব্র নিন্দা করেন ও এস আই কামরুল ইসলাম কে অপশরনের দাবি করেন ভুক্তভোগী রফিকুলের পরিবার ও অটো রিক্সা চালক বৃন্দ।