1. news@www.provatibangladesh.com : বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  2. info@www.provatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পাবনায় এনজিও প্রতিনিধির সাথে শিমুল বিশ্বাস’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  নতুন মিডিয়া প্রকাশের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়লেখার বর্ণি ইউনিয়ন আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার ঈদ পূর্ণমিলনী সম্পন্ন সন্ধান দাতাকে ১০০০০০/-এক লক্ষ টাকার অধিক পুরস্কার দেওয়া হবে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে যোগারচরের গোসলে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু কমলগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রিপুল ও যুবলীগ নেতা ইউপি সদস্য শিপন আটক যে তথ্যর ভিত্তিতে গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয় ময়মনসিংহ চোরখাই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩ জন ও আহত ৫ জন গোরস্থান উন্নয়ন কল্পে যুব সমাজের সাথে আলোচনা  গত ২৫ বছরে একবারও ‘জয় বাংলা’ বলিনি আজ থেকে জয়া বাংলা বলবো

নেত্রকোনায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরবরাহের অভিযোগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিরুদ্ধে

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধিঃ 
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধিঃ 

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দুই মাসের এক নবজাতকের জন্য মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। এতে শিশুটির পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, ২২ মার্চ সকালে উপজেলার গোয়াতলা গ্রামের শাপলা তার দুই মাস বয়সী ভাগ্নে মুনতাহাকে সর্দি-কাশির সমস্যা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটির জন্য অ্যামক্সিসিলিন পিডি ড্রপসহ আরও দুইটি ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন। হাসপাতাল থেকে ওই ওষুধগুলোর মধ্যে দুটি অ্যামক্সিসিলিন পিডি ড্রপ সরবরাহ করা হয়। তবে বাড়িতে ফিরে নবজাতকের ফুফু দেখতে পান, সরবরাহকৃত ওষুধের মেয়াদ এক মাস আগেই উত্তীর্ণ হয়েছে। বিষয়টি জানার পর শিশুটির পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং ২৩ মার্চ রবিবার স্থানীয় সাংবাদিকদের বিষয়টি অবহিত করেন।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শিশুটির ফুফু  শাপলা বলেন,”একটি সরকারি হাসপাতাল কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন হলে মাত্র দুই মাসের একটি শিশুকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দিতে পারে? এই ওষুধ যদি আমি খাওয়াতাম, আর যদি শিশুর কিছু হয়ে যেত, তবে এর দায় কে নিত?”

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উত্তম কুমার পাল অভিযোগটি মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন,”আমাদের হাসপাতাল থেকে কখনো মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরবরাহ করা হয় না। এটি হয়তো আমাকে ফাঁসানোর জন্য সাজানো নাটক। তবে আমি ফার্মাসিস্টদের আরও সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছি, যেন এ ধরনের অভিযোগ আর না ওঠে।”

এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এমন অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। তারা হাসপাতালের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট